থাই পেয়ারা গাছে কলম করার সহজ উপায় | চমৎকার ফলনের গাছ থাই পেয়ারা জাত

যে কোন গাছে কলম পদ্ধতি অনেক সহজ। আপনারা যদি এই একটি কলম পদ্ধতি শিখে রাখেন তাহলে আপনারা একই ভাবে প্রত্যেকটি গাছের কলম করতে পারবেন। আমি থাই পেয়ারা গাছের কলম করার সহজ উপায় সম্পর্কে আলোচনা করছি। আপনারা ধৈর্য সহকারে পোস্টটি পড়তে থাকুন। তাহলে আপনারা খুব সহজেই যে কোন গাছে নিজেরাই কলম করতে পারবেন।

 

থাই পেয়ারা গাছে কলম করার সহজ উপায়

থাই পেয়ারা গাছে কলম করার সহজ উপায়ঃ

বর্তমানে থাই পেয়ারা অত্যন্ত জনপ্রিয়। কারন থাই পেয়ারা প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে এবং খেতেও সুস্বাদু। আবার প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও রয়েছে। এই কারণে অনেকেই থাই পেয়ারা কলমের গাছ লাগিয়ে থাকেন। আপনি যদি থাই পেয়ারা গাছের কলম পদ্ধতি জেনে থাকেন তাহলে খুব সহজেই একই নিয়মে অন্যান্য গাছেও কলম করতে পারবেন।

 আরো পড়ুন

 টেলিগ্রাম একাউন্ট তৈরি করার উপায়

 My Banglalink app login করার সহজ নিয়ম

 নগদ কাস্টমার কেয়ার নাম্বার

 Upay account balance check

থাই পেয়ারা গাছে কলম করার সহজ উপায় নিম্নরূপঃ

থাই পেয়ারা গাছে কলম করা অত্যন্ত সহজ। আপনি নিজেই এই কাজটি করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে কয়েকটি বিষয়ের গুরুত্ব দিলেই হবে।

থাই পেয়ারা গাছে কলম করতে উপকরণসমূহঃ

১.একটি ভালো ডাল সিলেক্ট
২.বেলে দোঁআশ মাটি
৩. অ্যালোভেরা জেল
৪.পলিথিন
৫.ছুরি
৬.সুতলি বা দড়ি  

থাই পেয়ারা গাছে কলম করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিঃ

১. আপনি যে ডালটি সিলেক্ট করবেন কলমের জন্য সেই ডালটি অবশ্যই ভালো হতে হবে। বেশি পুরনো যেন না হয় আবার বেশি নতুনও যেন না হয়।

২. গাছে কলম বাঁধার ক্ষেত্রে বেলে দোঁআশ মাটি সবচেয়ে ভালো। আপনাকে কলম বাঁধার ক্ষেত্রে মাটিটি সুন্দর করে চেলে নিতে হবে 

৩. তারপর মাটিতে যদি জলের পরিমাণ কম থাকে তাহলে হালকা পরিমাণ জল মিশিয়ে নিবেন। জল একেবারে বেশিও হবে না আবার কম হবে না।

৪.  আপনাকে সর্বপ্রথম যে ডালটি সিলেক্ট করেছেন উক্ত ডালটি ওখান থেকে তিন ইঞ্চি মতো অংশটুকু ছাল কাটতে হবে।

৫.  ছাল কাটার পর ভিতরের অংশ দেখতে পারবেন। ভেতরের অংশের উপরে একটি পাতলা আবার যে আবরণটি সেটি আপনাকে ছুড়ি দিয়ে ঘসে ঘসে উঠিয়ে দিতে হবে।

৬.  আপনি যদি এই অংশটি উঠিয়ে না দেন তাহলে কলম বাঁধলে সেখান থেকে শিকড় বের হবে না।

৭.  এরপর করণীয় অ্যালোভেরা জেল গাছে যে অংশটুকু দুই থেকে তিন ইঞ্চি মতো কেটেছেন ওখানে দিতে হবে।

৮.  ভালো করে অ্যালোভেরা জেল মাখিয়ে দেওয়ার পর আপনি যে মাটিটি সুন্দর করে কলম তৈরি করার জন্য রেখেছিলেন ওই মাটিটি কাঁটা অংশের উপরে এবং নিচের দিকে দিয়ে তারপর পুরো অংশে সুন্দর করে দিয়ে দিবেন।

৯.  পুরো অংশে দিয়ে দেওয়ার পর এবার পলিথিন দিয়ে পুরো অংশটুকু ঢেকে দিবেন।

১০. তারপর দড়ি দিয়ে দুই পাশে বেঁধে দড়ি দিয়ে মাঝ বরাবর এনে ভালো করে পেচিয়ে বেঁধে দিবেন।

১১. কলম তৈরি হতে ৩৫ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে।  ৪০ দিন পর ডালটি কাটবেন। 

১২. তারপর পলিথিনটি দড়ি কেটে আস্তে আস্তে সরিয়ে দিবেন।

১৩.  আপনারা নিজেরাই দেখে অবাক হবেন। গাছে অনেক শিকড় বের হয়েছে।

১৪.  তারপর গাছটি লাগানোর পালা। আপনি যেখানে গাছটি লাগাবেন সেখানের মাটিটি কেমন আছে আপনাকে দেখতে হবে। 

১৫. মাটিতে যদি জৈব সারের উপাদান কম থাকে তাহলে জৈব সার মিশিয়ে দিবেন। 

১৬. তারপর গর্ত করে কলমটি বসিয়ে দিবেন। তারপর মাটি দিয়ে ঢেকে দিবেন। 

১৭. এবার জল দিবেন। গাছটিতে দুই মাসের মধ্যে কোন সার দেয়ার প্রয়োজন নাই। 

১৮. দুই মাস পর আপনি রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে পারেন। 

১৯. তবে গাছটিতে নিয়মিত জল দিতে হবে। অতিরিক্ত বেশি জল দেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত বেশি জল দিলে শিকড় পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

পরিশেষে বলা যায়,  এভাবে আপনারা নিজেরাই খুব সহজে কলম তৈরি করতে পারেন।

 

 আরো পড়ুন

  থাই জামরুল গাছ চেনার সহজ উপায়

  লুকলুকি ফলের পুষ্টিগুন

  জামরুলের মোরব্বা

  থাই সফেদা গাছে বেশি ফলন পেতে করণীয়


আমার সাইটটি ভিজিট করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। আপনারা আবারও আমার সাইটটি ভিজিট করবেন। এরকম আরো অনেক বিষয়ে তথ্য আমার সাইটটিতে পাবেন

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url