ইতিহাস ও ঐতিহ্য
অতীতের আলোয় আগামীর পথ
যে জাতি নিজের ইতিহাস জানে না, সে নিজের ছায়াও চিনতে পারে না। বাংলা অঞ্চলের ইতিহাস হাজার বছরের পলিমাটির মতো স্তরে স্তরে জমা: মৌর্য-গুপ্ত যুগ, পাল ও সেন রাজবংশ, সুলতানি ও মোগল আমল, ঔপনিবেশিক শাসন, ভাষা আন্দোলন আর মুক্তিযুদ্ধ। এই বিভাগ সেই স্তরগুলো একটার পর একটা খুলে দেখার আমন্ত্রণ।
এখানে ইতিহাস মানে শুধু সাল আর যুদ্ধের তালিকা নয়। আমরা খুঁজি মানুষের গল্প: কোন কৃষক কীভাবে দিন কাটাত, কোন স্থপতি কেন একটি মসজিদের গম্বুজ অমন করে গড়েছিলেন, কোন প্রত্নস্থলে মাটি খুঁড়ে মিলেছে হারানো নগরের চিহ্ন। বিশ্ব ইতিহাস আর প্রাচীন সভ্যতার আলোচনা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে, আমরা মানবজাতির এক বিশাল পরিবারেরই অংশ।
ইতিহাসের সুতো ছড়িয়ে আছে অন্য বিভাগেও। মুসলিম ইতিহাসের আলোচনায় ইসলাম ও ধর্মীয় জ্ঞান বিভাগের সঙ্গে এর নিবিড় যোগ। ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যাওয়ার আগে ভ্রমণ ও পর্যটন বিভাগ আপনাকে পথের সন্ধান দেবে। লোকজ ঐতিহ্য ও সামাজিক পরিবর্তনের গভীর পাঠ পাবেন সমাজ ও সংস্কৃতি বিভাগে। আর ইতিহাসের কত রহস্যময় ঘটনা চোখের আড়ালে থেকে গেছে, তা জানতে ঢুঁ মারুন সাধারণ জ্ঞান ও তথ্য বিভাগে। ইতিহাসের কবিতা-গল্পের দিকটা দেখতে চাইলে রয়েছে সাহিত্য ও বই।
ইতিহাসচর্চার সৌন্দর্য হলো প্রশ্ন করার সাহস আর প্রমাণ খোঁজার ধৈর্য। কোনো দাবি পড়লে জানতে চান, এর সূত্র কী। আপনার এলাকার মাটির নিচে, মানুষের স্মৃতিতে বা পুরনো খাতায় কত কাহিনি ঘুমিয়ে আছে, কে জানে! সেগুলো খুঁজে বের করে লিখে রাখলে আপনি শুধু একটি লেখা প্রকাশ করবেন না, একটি জাতির স্মৃতিভাণ্ডারে নতুন পাতা যোগ করবেন।
আপনার দাদা-দাদির কাছে শোনা কোনো স্মৃতি, গ্রামের পুরনো মন্দির-মসজিদের কাহিনি বা পারিবারিক দলিলের ঘটনা, এসবও ইতিহাসের মূল্যবান উপাদান। লিখে ফেলুন, কারণ যা লেখা হয় না, তা একদিন হারিয়ে যায়। সতর্ক থাকুন তথ্যসূত্রে; উৎস জানালে পাঠকের আস্থা বাড়ে, আর ইতিহাস ঠিক থাকে। অতীতকে ভালোভাবে চিনলে বর্তমানের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়, আর ভবিষ্যতের পথ হয় আরেকটু আলোকিত।
এই বিভাগে পাবেন: বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশ্ব ইতিহাস, প্রাচীন সভ্যতা, মুসলিম ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, স্থাপত্য ও ঐতিহ্য।
- বাংলাদেশের ইতিহাস০
- বিশ্ব ইতিহাস০
- প্রাচীন সভ্যতা০
- মুসলিম ইতিহাস০
- প্রত্নতত্ত্ব০
- ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব০
- স্থাপত্য ও ঐতিহ্য০
এখানে এখনো কোনো লেখা নেই।